Sixth

ziauddinsha.com

Another WordPress site


Home

BLOG

BREADCRUMB

আমিত্ব সবজনেই প্রিয় থেকেও প্রিয়

Oct 02, 2018
ziauddinsha

রতীকী ছবি। সমর মজুমদারের আঁকা ছবি   মানুষই গল্প।লেখক তার আকার। কলমের গুঁতোতে গল্পকার। সবার ওপরে নিরাকার। যিনি অনন্তকালে অফুরন্ত ভান্ডার। ত্রিভুবনে তুলনা নেই যার, তিনি কি নন গল্পকার? না, তিনি সর্বজনীন, গল্পকারেরও গল্পকার। চির অক্ষয় অমরে শেষ নেই তার। গল্পকার একজন ভালো পাঠক। মস্তিষ্ক সায় দিলেই তিনি লেখার প্রেমে মজেন। কলম ধরতেই শুরু করেন আমি, আমিত্ব ও আমার। বেদনা স্বরেই বলতে হয়, পাঠক হিসেবে আমি লেখকের পুনঃপুন আমিত্বে বিরক্ত। নিজে লিখতে গেলে সেই আমিই মাথায় এসে ভর করে বসে। ঘিরে ধরে আমার, আমি ও আমিত্ব! কথা-কাটাকাটি হয় আমিত্বে, মিলে সংশয়, আমি কোন রাজপুত? আমাকে চেনে কে? অনেক পড়েই লেখা উচিত। কিন্তু আজকাল তা হয়ে উঠেছে না। ব্যস্ততার বশীভূতে অল্পই পড়ি। তাতেও ভালো না লাগলে বিমুখ হই, দৃষ্টি ঘোরাই। বলি, যে লেখা হৃদয় অনুভূতির খোরাক জোগায় না তা পড়ছি কেন? কষাকষি ও অজুহাতের ছড়াছড়ি! হিসাব মিলায়ে দেখি, গল্পকার কিছু আমিত্বের হ্রাস ঘটাতে পারতেন। তবুও যে লেখক বা লেখিকা পাঠকের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন তার হাজার আমিও পজিটিভ। যত খুশি আমি। আমিত্বের শত ছক্কাতেও ক্ষতি নেই। অন্যদিকে আমি কারও হৃদয়ে স্থান করে নিইনি, নিতেও পারিনি। এখন আমার আমিত্বে পাঠক-পাঠিকা বিরক্ত হবেন না কেন? আমি নিজেই এতে দুঃখিত ও বিরক্ত। প্রতিদানে সমবেদনার বিকল্প কিছুই নেই, থাকেও না। তা ছাড়া, চিরন্তন সত্যে আমিত্ব

Read More

হীরার টুকরো বাবা

Sep 17, 2018
ziauddinsha

          লেখকের বাবা আমার ফেসবুক অ্যালবামের ছবিতে প্রিয় বন্ধু মন্তব্য করেছিলেন, ওল্ড ইজ গোল্ড। মন্তব্য ক্ষণে জানতে চেয়েছিলাম, মাই ফাদার ইজ ওল্ডার দ্যান মি। হোয়াট অ্যাবাউট হিম। এর উত্তর না পেয়ে অপেক্ষিত বিবেক সায় দিল, ইফ আই গোল্ড, মাই ফাদার ইজ ডায়মন্ড।          আমিও বাবা হয়েছি। প্রতিদিন সন্তানের আব্বু ডাক শুনে অভ্যস্ত। এই ডাক যত শুনি ততই মধুর লাগে। ইচ্ছে হয় অবিরাম শুনতেই থাকি! সন্তানের হাসি-তামাশায় নিজেকে কল্প-শিশুতে বিবেচনা করি। উপমায় বলি, আমিও কী বাবাকে এমনতর ডেকেছিলাম? বলতে পারব না, উত্তরও কারও কাছে চাইনি। সাবালক হওয়ার পরে বাবাকে এমনিতে ডেকেছি বলে মনে পড়ে না। বন্ধন যখন চিরতরে ডাকে কী যায় আসে! ‘হিরার টুকরো বাবা’ ভালোবাসার এমন আবেগী অপব্যাখ্যা পেলাম কোথায়? যার বাবা চলে গেছেন এক শ কেজি হিরা দিলেও তো কেউ বাবা এনে দিতে পারবেন না। বাবা বার্ধক্য রোগে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন। কই, কিছুই করতে পারছি না! অনিদ্রা, অরুচি, দুর্বলতা রোধে কোনো ঔষধই তো বাবাকে সুস্থ করে তুলছে না। যাঁর অছিলায় জগতের সবই দেখে উপভোগ করলাম তাঁকেই সুস্থ করতে পারলাম না। তবে কি আমি অপরাধী? সে উত্তর তো আজব কারিগরই ভালো জানেন। নয়তো ইচ্ছে করেই তিনি এমন খেলা খেলেন। ক্ষমা তো চাইতেই পারি, সে দরজাও তো খোলা। কিন্তু সন্তানকে ক্ষমার আগেই বাবা তার

Read More