SIXTH Demo Options
Sixth

ziauddinsha.com

Wordpress Website


Home

BLOG

BREADCRUMB

কঞ্জুসের প্রতি খোলা চিঠি

Oct 29, 2018
ziauddinsha

মো. জিয়াউদ্দিন শাহ ২৮ অক্টোবর ২০১৮, ১৪:১০ আপডেট: ২৮ অক্টোবর ২০১৮, ১৪:১৩    প্রতীকী ছবি। সংগৃহীত প্রিয় কঞ্জুস, আপনি সকল দেশেই কমবেশি বিরাজিত। দেশের আনাচকানাচে ইচ্ছেমতো কঞ্জুসগিরি ঘটাতে পারলেই আপনি ভালো থাকেন ও শান্তির নিশ্বাস ফেলেন। নতুবা মানসিক যন্ত্রণায় ভোগেন! আপনার কঞ্জুসগিরি প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে! ডিজিটাল যুগের চর্চায় ইদানীং আপনাকে ফেসবুকের আনাচকানাচে দিবানিশি পাওয়া যায়। মানুষের ভালো কাজেও আপনি লাইক বা কমেন্ট কিছুই দেন না! আপনি মনে করেন কারও ভালো কাজে সাধুবাদ জানালেই নিজের কঞ্জুসগিরি ধর্ম নিপাত যাবে। আপনার কঞ্জুসগিরি প্রথা সকল রাজনৈতিক দলেই বহাল আছে। বিরোধী দল যত ভালো কাজই করুক আপনার স্বীকৃতি পায় না। সুবিধা পেলে অনতিবিলম্বেই পক্ষ পরিবর্তন করে! মানুষে ভালো মন্দের স্বীকারোক্তি থাকলেও আপনি নিজের ভুল-ত্রুটি খুঁজে বের করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছেন! পেটুক সেজে নিজ বোধশক্তিকে গিলে খাওয়ার পাশাপাশি আত্মসমালোচনাতেও নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন! আপনার অসাধারণ প্রতিভা শুধু অপরের দোষ সন্ধানে পারদর্শী। সাধ্য অনুযায়ী নিজের দলকে সর্বদাই প্রসারিত করছেন। পরিবারেও একক ক্ষমতা প্রয়োগে বংশ বিস্তার অব্যাহত রাখছেন। এমন অবস্থা চলতে থাকলে নিকটেই আপনি সুপার কঞ্জুসগিরি পদবিতে ভূষিত হবেন। লিঙ্গবৈষম্যে আপনি নারী-পুরুষে একার্থ পরিচিতি লাভ করেছেন। বিশ্বজুড়ে কঞ্জুস প্রতিবাদীরা আপনার পতন কামনা করেন, ভবিষ্যতেও তাই করবেন। ইতি সকল কঞ্জুস বিরোধীদের পক্ষে মো. জিয়াউদ্দিন শাহ, জেদ্দা, সৌদি আরব।


আমিত্ব সবজনেই প্রিয় থেকেও প্রিয়

Oct 02, 2018
ziauddinsha

রতীকী ছবি। সমর মজুমদারের আঁকা ছবি   মানুষই গল্প।লেখক তার আকার। কলমের গুঁতোতে গল্পকার। সবার ওপরে নিরাকার। যিনি অনন্তকালে অফুরন্ত ভান্ডার। ত্রিভুবনে তুলনা নেই যার, তিনি কি নন গল্পকার? না, তিনি সর্বজনীন, গল্পকারেরও গল্পকার। চির অক্ষয় অমরে শেষ নেই তার। গল্পকার একজন ভালো পাঠক। মস্তিষ্ক সায় দিলেই তিনি লেখার প্রেমে মজেন। কলম ধরতেই শুরু করেন আমি, আমিত্ব ও আমার। বেদনা স্বরেই বলতে হয়, পাঠক হিসেবে আমি লেখকের পুনঃপুন আমিত্বে বিরক্ত। নিজে লিখতে গেলে সেই আমিই মাথায় এসে ভর করে বসে। ঘিরে ধরে আমার, আমি ও আমিত্ব! কথা-কাটাকাটি হয় আমিত্বে, মিলে সংশয়, আমি কোন রাজপুত? আমাকে চেনে কে? অনেক পড়েই লেখা উচিত। কিন্তু আজকাল তা হয়ে উঠেছে না। ব্যস্ততার বশীভূতে অল্পই পড়ি। তাতেও ভালো না লাগলে বিমুখ হই, দৃষ্টি ঘোরাই। বলি, যে লেখা হৃদয় অনুভূতির খোরাক জোগায় না তা পড়ছি কেন? কষাকষি ও অজুহাতের ছড়াছড়ি! হিসাব মিলায়ে দেখি, গল্পকার কিছু আমিত্বের হ্রাস ঘটাতে পারতেন। তবুও যে লেখক বা লেখিকা পাঠকের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন তার হাজার আমিও পজিটিভ। যত খুশি আমি। আমিত্বের শত ছক্কাতেও ক্ষতি নেই। অন্যদিকে আমি কারও হৃদয়ে স্থান করে নিইনি, নিতেও পারিনি। এখন আমার আমিত্বে পাঠক-পাঠিকা বিরক্ত হবেন না কেন? আমি নিজেই এতে দুঃখিত ও বিরক্ত। প্রতিদানে সমবেদনার বিকল্প কিছুই নেই, থাকেও না। তা ছাড়া, চিরন্তন সত্যে আমিত্ব

Read More